মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব

পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পর আজ প্রায় দেড়শত বছর অতিক্রম হয়েছে। এ সময়ে কতিপয় মানুষের কর্ম এ অঞ্চলকে আলোকিত ও সমৃদ্ধ করেছে। তাঁদের এ অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মারণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব আলোকিত ব্যক্তিবর্গের তালিকা প্রণয়ন ও এক্ষেত্রে মাপকাঠি নির্ধারণের কাজ অত্যন্ত দুরুহ। আমরা জানি, ‘উপজেলা তথ্য বাতায়ন’ এর ওয়েব পাতায় প্রকাশিত এ তালিকা পূর্ণাঙ্গ নয়। নানাবিধ সীমাবদ্ধতা ও তথ্য ঘাটতির কারণে অনেকের জীবনী তুলে ধরা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে এ পাতাটি আরও সমৃদ্ধ করা হবে। নিম্নে  এ উপজেলায় রাজনীতি, সমাজ, ধর্ম, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও অন্যান্য বিষয়ে যারা অবদান রেখেছেন তাঁদের সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত তথ্যাদি সন্নিবেশিত করা হলো।

চাইথোয়াই রোয়াজা (১৯৩০-১৯৯৪)

চাইথোয়াই রোয়াজা রাঙ্গামাটি  জেলার কচুখালীতে ১৩০ সনের ১৬ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫১ সনে তিনি মেট্রিক পাশ করেন। তিনি ১৯৬০-৭১ সময়ে কমলপতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ৯৮ কচুখালী মৌজার হেডম্যান ছিলেন। কাউখালী  এলাকায় সমবায় আন্দোলনে  ও শিক্ষার বিস্তারে তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রয়েছে। তিনি  পোয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সনে অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং চট্টগ্রাম শহরে যুদ্ধরত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সাহায্য এবং যুদ্ধাস্ত্র ও রসদ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ন  ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সনের নির্বাজনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৪ সনের ৯ জানুয়ারী মৃত্যুবরণ করেন।

 

চিংকিউ রোয়াজা

চিংকিউ রেয়াজা ১৯৫৬ সনের ১ জুন রাং্গামাটি জেলার কাউখালীতে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার  ও রাজনীতি বিষয়ে অনার্সসহ ১৯৮৩ সরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে মহাণছড়ি কলেজে শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পিতার মৃত্যুর পর ৯৮ নং কচুখালী  মৌজোর হেডম্যান পদে নিয়োগ পান।  ছাত্রজীবন থেকে তিনি রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন এবং বাংলাদেশে  আওয়ামীলীগের বিভিন্ন আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৯ সনে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সনে অন্তবর্তীকালীন পরিষদের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। ১৯৮৮-৯৬ সনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রাঙ্গামাটি এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাণর করছেন। এছাড়া তিনি ২০০১-০২ মেয়াদে রোটারী ক্লাবের প্রেসিন্টে এবং পদাধিকার বলে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড সফর করেন।